সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে খুলনা-৬ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন বঞ্চিতরা আত্মঘাতি ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। তাদের সিদ্ধান্ত ছিল আত্মঘাতি। যে কারণেই পরাজয়। মনোনয়ন বঞ্চিতরা দলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকলেও তাদের স্বজনরা ছিল প্রতিপক্ষের সহযোগী। এ অংশ দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুব গোপনে অবস্থান নেয়।
নির্বাচনের পর উল্লিখিত দুই উপজেলার বিভিন্ন ফোরামে এমন আলোচনা হয়েছে। তাদের নাম উল্লেখ করে কেন্দ্রকে অবহিত করা হয়েছে। কোনো কোনো অবস্থান থেকে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখেন তাও কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা ত্যাগী কর্মীদের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়েছে। জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও উল্লিখিত আসনে প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি খুলনা গেজেটকে এসব তথ্য দিয়েছেন।
তিনি ২৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, এ নির্বাচনি এলাকায় জাতীয় পার্টির কোন তৎপরতা ছিল না। সেই দলের এজেন্টের নাম ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়। এমন ১২ জন ভুয়া এজেন্টের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি হয়েছে। প্রতিপক্ষ অনিয়ম এবং বেহেস্তের টিকিটের নিশ্চয়তা দিয়ে সরলমনা মানুষের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রতিপক্ষ উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুই উপজেলার ১৭ টা ইউনিয়নে ফুটবল খেলার মাঠ, কয়রায় একশ’ শয্যা, পাইকগাছায় একশ’ ২০ শয্যার হাসপাতাল নারী ও যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি নদী ভাঙন রোধে টেকসই বাধ নির্মাণ আঠারো মাইল থেকে কয়রা পর্যন্ত সড়ক মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা বলেন, এত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার মতো অর্থ এবারের বাজেটে নেই। আগামীর জন্য কল্পনা প্রসূত। এটি জনগণের সাথে প্রতারণা মাত্র। যা কখনও বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, “নির্বাচনের পূর্বে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা এখনও পালন করছি। তাদের সাথে থাকব আজও আমার ওয়াদা।”
খুলনা গেজেট/এনএম

